পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। একই সঙ্গে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। আর আগে অকৃতকার্য হওয়া ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন।
এবার এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি আবেদন করেন। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য আবেদন ছিল ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি।
চলতি বছর পুনর্নিরীক্ষণের প্রক্রিয়ায় উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগও রাখা হয়েছে। এর আগে বোর্ডের প্রচলিত নিয়মে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ছিল না।
এর আগে ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি।
পুনর্নিরীক্ষণের ফল আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত অনলাইন পোর্টাল থেকেও ফল জানা যাচ্ছে।